দৈনন্দিন সুন্নাহ হিফয ট্র্যাকার

দৈনন্দিন রুটিন ও আত্মরক্ষা ট্র্যাকার

প্রতিদিন সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা ও রাতের মাসনুন আমলগুলো সম্পন্ন করার পর টিক দিন। আমলগুলো নিয়মিত বজায় রাখলে আল্লাহর রহমতে শয়তানী আক্রমণ ও বদনজর থেকে স্থায়ী নিরাপত্তা পাওয়া যায়।

আজকের আমলের অগ্রগতি:
0% সম্পন্ন (0/14)
নিয়মিত আমল ঈমান ও শরীরকে সুরক্ষিত রাখে।

ফজরের ফরজ সালাত সময়মতো আদায় করা

ফরজ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করল, সে আল্লাহর জিম্মায় (নিরাপত্তা বলয়ে) থাকল।

সকালের আয়াতুল কুরসী পাঠ

১ বার

সকালে পড়লে সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তানের আক্রমণ থেকে মুক্ত থাকা যায়।

সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পাঠ

৩ বার

সকালে ৩ বার পাঠ করলে সকল প্রকার অনিষ্ট ও বিপদ থেকে যথেষ্ট হবে।

বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু... দোয়া

৩ বার

আসমান ও যমীনের কোনো অনিষ্ট ক্ষতি করতে পারবে না।

সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার পাঠ

১ বার

দিনের বেলা দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে পড়লে এবং ঐদিন মারা গেলে জান্নাতী হবেন।

যোহর ও আসরের সালাতের পর মাসনুন তাসবীহ

প্রতি সালাতের পর

সুবহানাল্লাহ ৩৩, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩, আল্লাহু আকবার ৩৪ বার।

দৈনিক কুরআন তিলাওয়াত (কমপক্ষে ১-২ রুকু)

প্রতিদিন

কুরআন তিলাওয়াত দিলে ও ঘরে রহমতের কারণ।

মাগরিবের পর সন্ধ্যার ৩ কুল ও আয়াতুল কুরসী

৩ বার

সারারাত শয়তানের চক্রান্ত থেকে নিরাপত্তার জন্য।

আউযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মা-তি মিন শাররি মা খালাক্ব

৩ বার

রাতের বিষাক্ত কীট বা মাখলুকের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষা।

হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতু...

৭ বার

দুনিয়া ও আখেরাতের সকল দুশ্চিন্তা দূর করার জন্য যথেষ্ট।

অযু অবস্থায় এবং বিছানা ৩ বার ঝেড়ে শোয়া

সুন্নাহ

অযু অবস্থায় ঘুমালে একজন ফেরেশতা সারারাত পাহারা দেয়।

সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (২৮৫-২৮৬) পাঠ

১ বার

রাতের যাবতীয় বালা-মুসিবত থেকে বাঁচার জন্য যথেষ্ট।

৩ কুল পড়ে দুই হাতে ফুঁ দিয়ে সারা শরীরে হাত বুলানো

৩ বার

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রতি রাতে ঘুমানোর পূর্বে এই আমল করতেন।

ঘুমানোর মাসনুন দোয়া পাঠ

১ বার

আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমূতু ওয়া আহ্ইয়া।