দৈনন্দিন রুটিন ও আত্মরক্ষা ট্র্যাকার
প্রতিদিন সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা ও রাতের মাসনুন আমলগুলো সম্পন্ন করার পর টিক দিন। আমলগুলো নিয়মিত বজায় রাখলে আল্লাহর রহমতে শয়তানী আক্রমণ ও বদনজর থেকে স্থায়ী নিরাপত্তা পাওয়া যায়।
ফজরের ফরজ সালাত সময়মতো আদায় করা
ফরজরাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করল, সে আল্লাহর জিম্মায় (নিরাপত্তা বলয়ে) থাকল।
সকালের আয়াতুল কুরসী পাঠ
১ বারসকালে পড়লে সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তানের আক্রমণ থেকে মুক্ত থাকা যায়।
সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পাঠ
৩ বারসকালে ৩ বার পাঠ করলে সকল প্রকার অনিষ্ট ও বিপদ থেকে যথেষ্ট হবে।
বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু... দোয়া
৩ বারআসমান ও যমীনের কোনো অনিষ্ট ক্ষতি করতে পারবে না।
সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার পাঠ
১ বারদিনের বেলা দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে পড়লে এবং ঐদিন মারা গেলে জান্নাতী হবেন।
যোহর ও আসরের সালাতের পর মাসনুন তাসবীহ
প্রতি সালাতের পরসুবহানাল্লাহ ৩৩, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩, আল্লাহু আকবার ৩৪ বার।
দৈনিক কুরআন তিলাওয়াত (কমপক্ষে ১-২ রুকু)
প্রতিদিনকুরআন তিলাওয়াত দিলে ও ঘরে রহমতের কারণ।
মাগরিবের পর সন্ধ্যার ৩ কুল ও আয়াতুল কুরসী
৩ বারসারারাত শয়তানের চক্রান্ত থেকে নিরাপত্তার জন্য।
আউযু বিকালিমা-তিল্লাহিত তা-ম্মা-তি মিন শাররি মা খালাক্ব
৩ বাররাতের বিষাক্ত কীট বা মাখলুকের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষা।
হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া ‘আলাইহি তাওয়াক্কালতু...
৭ বারদুনিয়া ও আখেরাতের সকল দুশ্চিন্তা দূর করার জন্য যথেষ্ট।
অযু অবস্থায় এবং বিছানা ৩ বার ঝেড়ে শোয়া
সুন্নাহঅযু অবস্থায় ঘুমালে একজন ফেরেশতা সারারাত পাহারা দেয়।
সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (২৮৫-২৮৬) পাঠ
১ বাররাতের যাবতীয় বালা-মুসিবত থেকে বাঁচার জন্য যথেষ্ট।
৩ কুল পড়ে দুই হাতে ফুঁ দিয়ে সারা শরীরে হাত বুলানো
৩ বাররাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রতি রাতে ঘুমানোর পূর্বে এই আমল করতেন।
ঘুমানোর মাসনুন দোয়া পাঠ
১ বারআল্লাহুম্মা বিসমিকা আমূতু ওয়া আহ্ইয়া।